মন্দিরে মন্দিরে গিয়ে মন্দিরের সবুজ গাছ গুলিতে ইচ্ছে পূরণের নিমিত্তে যারা গিঁট মারেন তাঁদেরকে গিট্টু শিল্পী বলে। এটা একটা অদ্ভুত শিল্প কর্ম। বাবুই পাখি যেমন করে তাঁদের নীর তৈরি করে ঠিক সেই ভাবেই গিট্টু শিল্পীরা গিঁটের শিল্প রচনা করেন শিল্প গুণ নিয়ে। বাবুই পাখি যুক্তি যুক্ত ভাবে নিজের গৃহ নির্মাণে নিমিত্তে শিল্প রচনা করেন আর গিট্টু শিল্পীরা পরিশ্রম হীন, শ্রম হীন, চেষ্টা হীন ইচ্ছে পূরণের নিমিত্তে গিঁট মারেন এবং শিল্প রচনা করেন।
সোজা বিষয় নয় প্রাই ৫ কিলোমিটার পাহাড়ী পথ বেয়ে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বিরূপাক্ষ ও চন্দ্রনাথ ধামে উঠে গিট্টু শিল্প রচনা করেন তাঁরা। এতো পরিশ্রম করে এতো উপরে উঠে গিঁট না মেরে যে ইচ্ছে পূরণের জন্যে এই গিঁট মানের সেই ইচ্ছে পূর্ণ করার জন্যে নিজেকে আত্ম নিয়োগ করলে সেই ইচ্ছ পূর্ণ হয়ে যেতেও পারে।
এদের বেশির ভাগই গীতা পাঠ করেন নিয়মিত। অথচ গীতায় বার বার উল্লেখ করা
হয়েছে কর্ম করলেই ফল লাভ হয়, যেমন কর্ম করবে তেমন ফল লাভ করবে, কর্ম করো
ফলের চিন্তা করবেনা - ঈশ্বর নিজেই ফল প্রদান করবেন। তাহলে গিট্টুর আবেদনে
গীতা ও শ্রী কৃষ্ণের বানীও অসার হয়ে যায়। গিট্টুর আবেদনের এমনই শক্তি
যেখানে শ্রীকৃষ্ণের বানিও ব্যর্থ হয় !! ------------ একেই বলে অজ্ঞানতা।
জ্ঞানের কথা হৃদয়ঙ্গম করতে হয়, হৃদয়ঙ্গম না করে মুখুস্ত করলে সেটা কোন কাজে
আসেনা।
কি কি দিয়ে গিট্টু মারা হয়? কাল বেশ ভাল ভাবে খেয়াল করলাম। রজ্জু, ঘাস, মৃত পশুর চামড়া, ইলাস্ট্রিক, গাছের পাতা, পলিথিন, ধুপ কাঠির প্যাকেট, গামছা ছেরা, রুমাল, ছেরা কানি, জামার ফিতা, তার, গাছের বালক থেকে শুরু করে গিঁট মারা যায় এমন সব পদার্থ দিয়েই এই গিঁট মারা হয়। একটা গাছে এতো জাতের পদার্থ দিয়ে গিঁট মারাকে শিল্প বলবো না তো কি বলবো?
মন্দিরে গাছ গুলকে মেরে ফেলছে এই ভাবে। আদিনাথের বিশাল পারিজাত বৃক্ষের কথা জানিয়েছিলাম আগেই। শুধু আদিনাথ কেন? সব মন্দিরেই দেখা যায়। কাল সীতাকুণ্ড থেকে তুলে আনলাম আরো কিছু তথ্য। চট্টগ্রামের নবগ্রহ বাড়িতে গাছ নেই বলে মন্দিরের গেইটেই গিঁট বাঁধে ভক্তরা।
উনারা অনবদ্য। অর্জনের জন্যে যোগ্যতা, বুদ্ধি, শ্রমের দরকার আছে সেটা উনারা মনে করেননা। উনারা গিঁট মেরেই নিউজিল্যান্ডের সুবিধা, নিরাপত্তা, শান্তি ও নিশ্চয়তা কামনা করেন। ভুল ধরিয়ে দিলে উনারা বলেন শ্রমেরও দরকার আছে গিট্টুরও দরকার আছে।
চূড়ান্ত মন্তব্য হলো এই যে, গিট্টু শিল্পীরা আজীবন দুর্বল থেকে যাবে।
কালও সাধ্যমত গিটু খুলে দেবার চেষ্টা করলাম। কিন্তু সমুদ্রের জল থেকে এক পুকুর জল তুলে নিলে তো সমুদ্র খালি হবেনা। তাই চেষ্টা করে কিছু অবমুক্ত কলরেও সেটা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল ছিলো। যারা গিট্টু শিল্পে বিশ্বাস করেন না তাঁরা এই গিট্টু অবমুক্ত করতে ভূমিকা রাখবেন।
কি কি দিয়ে গিট্টু মারা হয়? কাল বেশ ভাল ভাবে খেয়াল করলাম। রজ্জু, ঘাস, মৃত পশুর চামড়া, ইলাস্ট্রিক, গাছের পাতা, পলিথিন, ধুপ কাঠির প্যাকেট, গামছা ছেরা, রুমাল, ছেরা কানি, জামার ফিতা, তার, গাছের বালক থেকে শুরু করে গিঁট মারা যায় এমন সব পদার্থ দিয়েই এই গিঁট মারা হয়। একটা গাছে এতো জাতের পদার্থ দিয়ে গিঁট মারাকে শিল্প বলবো না তো কি বলবো?
মন্দিরে গাছ গুলকে মেরে ফেলছে এই ভাবে। আদিনাথের বিশাল পারিজাত বৃক্ষের কথা জানিয়েছিলাম আগেই। শুধু আদিনাথ কেন? সব মন্দিরেই দেখা যায়। কাল সীতাকুণ্ড থেকে তুলে আনলাম আরো কিছু তথ্য। চট্টগ্রামের নবগ্রহ বাড়িতে গাছ নেই বলে মন্দিরের গেইটেই গিঁট বাঁধে ভক্তরা।
উনারা অনবদ্য। অর্জনের জন্যে যোগ্যতা, বুদ্ধি, শ্রমের দরকার আছে সেটা উনারা মনে করেননা। উনারা গিঁট মেরেই নিউজিল্যান্ডের সুবিধা, নিরাপত্তা, শান্তি ও নিশ্চয়তা কামনা করেন। ভুল ধরিয়ে দিলে উনারা বলেন শ্রমেরও দরকার আছে গিট্টুরও দরকার আছে।
চূড়ান্ত মন্তব্য হলো এই যে, গিট্টু শিল্পীরা আজীবন দুর্বল থেকে যাবে।
কালও সাধ্যমত গিটু খুলে দেবার চেষ্টা করলাম। কিন্তু সমুদ্রের জল থেকে এক পুকুর জল তুলে নিলে তো সমুদ্র খালি হবেনা। তাই চেষ্টা করে কিছু অবমুক্ত কলরেও সেটা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল ছিলো। যারা গিট্টু শিল্পে বিশ্বাস করেন না তাঁরা এই গিট্টু অবমুক্ত করতে ভূমিকা রাখবেন।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন