সোমবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৭

হিন্দু ধর্মে বৈদিক বিবাহ রীতির ধাপসমূহের সংকলন ধাপসমূহঃ

1পাটিপত্রঃপাটিপত্র বাঙালি হিন্দু বিবাহের প্রথম আচার। এই আচার লগ্নপত্র বা মঙ্গলাচরণ নামেও পরিচিত। ঘটকের মাধ্যমে সম্বন্ধ করে বিবাহ স্থির হলে নগদ বা গহনাপত্রে যৌতুক ও অন্যান্য দেনাপাওনা চূড়ান্তভাবে স্থির করার জন্য যে অনুষ্ঠান হয়, তাকেই পাটিপত্র বলে। এই আচারের মাধ্যমেই বিবাহের অন্যান্য আচারের সূচনা ঘটে। 2পানখিলঃপানখিল বাঙালি হিন্দু বিবাহের দ্বিতীয় আচার। এটি পাটিপত্রের ঠিক পরেই পালিত হয়। পানখিলের অর্থ পান পাতায় আনুষ্ঠানিকভাবে খিল দেওয়া বা খড়কে বেঁধানো। এই আচারটি প্রথমে বরের বাড়িতে এবং পরে কনের বাড়িতে অনুষ্ঠিত হয়। পানখিল আচারে বাড়ির মেয়েরা এবং প্রতিবেশিনীরা ‘বিয়ের গান’ গেয়ে থাকেন। এই গানের বিষয়বস্তু হল রাম ও সীতার বিবাহ। 3দধি মঙ্গল: বিবাহের দিন বর ও কন্যার উপবাস। তবে উপবাস নির্জলা নয়। জল মিষ্টি খাওয়ার বিধান আছে। তাই সারাদিনের জন্য সূর্য্যোদয়ের আগে বর ও কন্যাকে চিড়ে ও দৈ খাওয়ানো হয়। 4গায়ে হলুদ: সংস্কৃত ভাষায় এই রীতিকে বলা হয় গাত্রহরিদ্রা। হিন্দু ধর্মে কয়েকটি জিনিসকে শুভ বলা হয়। যেমন শঙ্খধ্বনি, হলুদ ইত্যাদি। প্রথমে বরকে ও নিতবরকে সারা গায়ে হলুদ মাখানো হয়। পরে সেই হলুদ কন্যার বাড়ী পাঠানো হয়। কন্যাকে সেই হলুদ মাখানো হয়। 5শঙ্খ কঙ্কন: কন্যাকে শাখা পরানো হয়। এরপর বিকালে বিবাহের মূল অনুষ্ঠান শুরু হয় 6বর বরণ: বর বিবাহ করতে এলে তাকে স্বাগত জানান কন্যাপক্ষ। সাধাবনত: কন্যার মা তার জামাতাকে একটি থালায় প্রদীপ, ধান দুর্ব্ব ও অন্যান্য কিছু বরণ সামগ্রী নিয়ে বরণ করেন। এরপর বরকে বাড়ীর ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয় ও দুধ এবং মিষ্টি খাওয়ানো হয় । 7সাত পাক: বিবাহের মন্ডপে প্রথমে বরকে আনা হয়। এরপর কন্যাকে পিঁড়িতে বসিয়ে আনা হয়। সাধারণত: কন্যার জামাইবাবুরা পিঁড়ি ধরে থাকেন। কন্যা পান পাতা দিয়ে নিজের মুখ ঢেকে রাখেন। কন্যাকে পিঁড়িতে করে বরের চারপাশে সাতপাক ঘোরানো হয়। 8শুভদৃষ্টি: বিবাহের মন্ডপে জনসমক্ষে বর ও কন্যা একে অপরের দিকে চেয়ে দেখন। 9মালা বদল: কন্যা ও বর মালাবদল করেন। এই রীতির অর্থ হচ্ছে দুজন একে অন্যকে জীবনসঙ্গী হিসাবে মেনে নিলেন। মুসলমান মতে একই ভাবে কন্যাকে বলতে হয় "কবুল"। আবার ঠিক এই রকমই খৃষ্টান মতে চার্চের ফাদারের সামনে বর ও কন্যা বিবাহে সন্মতি জানান। 10সম্প্রদান: কন্যার পিতা কন্যাকে জামাতার হাতে সম্প্রদান করেন বেদমন্ত্রে। বরও জানান যে তিনি কন্যার ভরন পোষনের দ্বায়িত্ব নিলেন। বিবাহের মন্ত্র হল যদিদং হৃদয়ং তব, তদিদং হৃদয়ং মম। 11অঞ্জলি: কন্যা ও বর খৈ অগ্নাহুতি দেন। প্রচলিত বাংলায় একে বলে খৈ পোড়া। বৈদিক যুগে মানুষ নানা ধরনের শক্তির উপাসনা করতেন। অগ্নিও তাদের মধ্যে অন্যতম। 12সিঁদুর দান: বিবাহের শেষ রীতি হল বর কন্যার কপালে সিঁদুর লেপন করেন। বাঙালি হিন্দু নারীরা স্বামীর মঙ্গল কামনায় সিঁদুর পরেন। জাতিভেদে ও অঞ্চলভেদে এই রীতি কিছু পরিবর্তিত হয়। তবে জানাবেন। ভুল ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। নমস্কার সবাইকে।

জাতিভেদ প্রথা(Caste System)

আসুন আগে দেখে নেই গীতায় এ সম্পর্কে কি বলা হয়েছে ? ১৮/৪১ “হে পরন্তপ ,স্বভাবজাত গুণের জন্যই ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়,বৈশ্য,শূদ্র,এই চার জাতির কর্ম সমূহ বিভক্ত হয়েছে ।” ব্রাহ্মণের কি কাজ বা করনীয় ? ...১৮/৪২ ‘শম, দম ,তপস্যা,ক্ষমা,ক্ষান্তি,সরলতা জ্ঞান, বিজ্ঞান ও আস্তিক্য – এই ,কয়েকটি, ব্রাহ্মণদের স্বভাবজাত কর্ম ।’ অর্থাৎ এগুলো না থাকলে কাউকে ব্রাহ্মণ বলা যাবে না । ক্ষত্রিয়ের কী করণীয় ?......১৮/৪৩ “শৌর্য,তেজ, ধৃতি,দক্ষতা,অপরাদন্মুখতা, দানশীলতা ও শাসন ক্ষমতা – এইগুলি ক্ষত্রিয়ের স্বভাবজাত কর্ম ।” শূদ্রের কী করণীয়?....১৮/৪৪ “কৃষি,গোরক্ষা,ওবাণিজ্য – এই কয়েকটি বৈশ্যের স্বাভাবিক কর্ম । পরিচর্যা শূদ্রের স্বভাবজাত কর্ম । জন্ম সূত্রে কেউ ব্রাহ্মণ বা শূদ্র হতে পারে না । ভগবানের সেবাই তার পরিচয় ।

নমস্কার ও প্রনাম সম্পর্কে ৫ টি তথ্য

1 নমস্কার ছোট-বড় সকলকে জানানো যায়। যেমন একজন বয়স্ক মানুষ তার নাতী/ নাতনীকে এভাবে সম্বোধন করতে পারেন,''নমস্কার দাদু--কেমন আছ?'' নমস্কার জানাতে কোন লজ্জা নেই। বরং সম্মানের বিষয়। 2 বয়সে বড়দের প্রনাম করুন। কিন্তু ছোট কাউকে প্রনাম করতে নেই। এমনকি কাকা, মাসি, পিসি ছোট হলে ও নয়। 3 বিগ্রহকে কখনো একহাতে প্রনাম করতে নেই, সর্বদা দুইহাতে বুকে ও মাথায় হাত ঠেকিয়ে করতে হবে। 4 মন্দিরের ভিতরে/ বিগ্রহের সামনে কখনো কাউকে প্রনাম করতে নেই। 5 ঘুমন্ত বা শায়িত ব্যক্তি কে প্রনাম করা উচিত না। আপনাদের মূল্যব্যান মতামত আমাদের এগিয়ে যাওয়ার পথে অনুপ্রেরণা। ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতে পারেন। নমস্কার সবাইকে।

মোহাম্মদ মজিদ এখন ধর্ম দাস হলেন।

মুসলিম পরিবারে জন্মে ছিলেন মোহাম্মদ মজিদ। শান্তির খোঁজ করেও কখনো শান্তির দেখা পায়নি মোহাম্মদ মজিদ।।তিনি এক চিলতে শান্তির জন্য বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছেন,ভেবে দেখেছেন বিভিন্ন ধর্ম নিয়ে। অবশেষে খুঁজে পেলেন শান্তির ধর্ম, গ্রহন করলেন "হিন্দু ধর্ম"। মোহাম্মদ মজিদ এখন ধর্ম দাস হলেন।এটা আমার কথা নয় ধর্ম দাসের কথা।বাস্তরিত জানতে নিচের লিংঙ্কে ক্লিক করুন। http://www.hinduhumanrights.info/majid-khan-to-dharam-dass-returning-back-to-my-ancestral-roots/

মুক্তিযুদ্ধে ২২ লাখের বেশি হিন্দু শহীদ হয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই এক লাখ হিন্দু নিধন আমেরিকায় সদ্য প্রকাশিত একটি বই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বড়সড় আলোচনার ঝড় তুলেছে। প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যলয়ের রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ের অধ্যাপক গ্যারি জে বাস তার সম্প্রতি প্রকাশিত “ দি ব্ল্যাড টেলিগ্রাম : নিক্সন কিসিঞ্জার অ্যান্ড এ ফরগটন জেনোসাইড ” বইতে লিখেছেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই পাকিস্তানী সেনাবাহিনী বাংলাদেশের প্রায় এক লাখ হিন্দুকে নির্বিচারে খুন করেছিল। তৎকলীন পূর্ব পাকিস্তানে আক্ষরিক অর্থে চালানো হয়েছিল গণহত্যা। অসহায় ভাবে তখন খুন হয় বিপুল সংখ্যক হিন্দু। নিজেদের স্বার্থের জন্য তখন ভারত ও মার্কিন সরকার চোখ বন্ধ করেছিল বলেও ঐ বইয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলদেশে যখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে মুক্তিযুদ্ধের সময়ের মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার কাজ চলছে তখনই গ্যারি জে বাসের এই বই তুমুল আলোচনা- সমালোচনা র সাইক্লোন বইয়ে দিচ্ছে আমেরিকাসহ সারা বিশ্বে। আমেরিকায় এ সপ্তাহের শুরুতে বইটি প্রকাশিত হয়। বইটি বাজারে আসার সঙ্গে সঙ্গে ৪০ বছর আগের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং তাকে ঘিরে একাধিক অস্বস্তিকর প্রশ্ন সামনে চলে এসেছে। খবর বর্তমান , পিটিআই ও ওয়াশিংটনের। জে বাস তার বইতে লিখেছেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগেই পাকিস্তান সেনাবাহিনী তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে আক্ষরিক অর্থেই গণহত্যা চালিয়েছিল। আর সর্বত্রই টার্গেট করা হয়েছিল হিন্দু সম্প্রদায়ভুক্ত বাঙালীদের । যুদ্ধের শুরুতেই অসহায় অবস্থায় খুন হয়েছিলেন প্রায় ১ লাখ হিন্দু । অথচ আশ্চার্যজনকভাবে বিষয়টিকে ছোট করে দেখিয়েছিল সেই সময়ে ভারতের ক্ষমতায় থাকা ইন্দ্রিরা গান্ধির কংগ্রেস সরকার। শুধু তাই নয়, অদ্ভুতভাবে চোখ বন্ধ করে রেখেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭ তম প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন। এই নিরবতা কেন ? এমন প্রশ্ন তুলেছেন জে বাস তার বইতে। শুধু মার্কিন প্রশাসন নয়, তখনকার ভারত সরকারের তীব্র সমলোচনা করেছেন লেখক জে বাস। তিনি দাবি করেছেন, বাংলাদেশে যখন প্রত্যেকদিন নিয়ম করে হিন্দু নিধন চলছিল তখন ভারত সরকার বিষয়টির আসল গুরুত্ব প্রকাশে রাজি ছিলনা। কারণ, ইন্দিরা গান্ধি সরকার চায়নি তখনকার বিরোধী দল জনসংঘ তথা আজকের বিজেপি এই নিয়ে রাজনীতি করার সুযোগ পাক। পাক সেনারা যখন নির্বিচারে গণহত্যা চালাচ্ছে তখন ভারতের সংসদ সদস্যরা গোলাবারুদ দিয়ে হিন্দুদের সাহায্য করেনি। কারণ সেই একটাই, যদি গোলাবারুদ দেওয়া হয় , তাহলে গোটা গণহত্যার বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে আসবে। আর তা নিয়ে রাজনীতি করবে জনসংঘ বা বিজেপি। বইয়ে তিনি আরো লিখেছেন, তখন পাকিস্তানী জেনরেল ইয়াহিয়ার হিন্দু নিধনের পক্ষে যুক্তি ছিল যে, পূর্ব পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ১৩ শতাংশ বাঙালি হিন্দু। এরা ইসলাম বিরোধী। এরা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ায় তারা পরাজিত হয়েছেন। “ভবিষ্যতে শাসন কায়েম রাখতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে থাকা হিন্দু বাঙালিদের স্রেফ ছেঁটে ফেলা দরকার” বলে মন্তব্য করেন ইয়াহিয়া। বইতে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযনে নেতৃত্ব দেওয়া লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খানের যুক্তি ছিল যে, “পূর্ব পাকিস্তান ভারতের দাসত্ব করছে। বহু ত্যাগের পর যে স্বাধীনতা এসেছে তাকে এবং দেশটাকেই আওয়ামীলীগ ধ্বংস করে দেবে।” তখন পাক সেনারা একে অপরের সঙ্গে মজা করে বলত,“আজ কত হিন্দু মেরেছ ?” জে বাস লিখেছেন, সশস্ত্র পাক সেনাদের সঙ্গে পূর্ব পাকিস্তানের প্রায় এক কোটি নিরস্ত্র হিন্দুর অসম লড়াই হয়েছিল। ভারতের সহযোগিতার কলঙ্ক এবং নয়াদিল্লির উদ্দেশ্য সাধনের অভিযোগের তকমা লাগানো হয়েছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের হিন্দুদের গায়ে। যে কারণে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী হিন্দুদের ওপর চালিয়েছিল মর্মান্তিক গণহত্যা। বাংলাদেশের হিন্দু সংগঠনগুলোর হিসেব মতে, মুক্তিযুদ্ধে ২২ লাখের বেশি হিন্দু শহীদ হয়েছেন। এছাড়া ওই সময় প্রায় ১ কোটি বাঙালি আশ্রয় নিয়েছিল ভারতের শরণার্থী শিবিরগুলোতে। দি ব্ল্যাড টেলিগ্রাম : নিক্সন কিসিঞ্জার অ্যান্ড এ ফরগটন জেনোসাইড বইতে গ্যারি জে বাস আরো লিখেছেন, ঢাকায় নিযুক্ত তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্চার ব¬াড ভেবেছিলেন, হিন্দুদের নিধন বা তাড়নো নিয়ে বেশি হইচই করার প্রয়োজন নেই। বইতে সে সময় ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যও স্পষ্ট উলে¬খ করা হয়েছে। তিনি এক বৈঠকে রিচার্ড নিক্সনকে স্বয়ং জানিয়েছিলেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে গণহত্যা চালাচ্ছে। আতঙ্কে প্রতিদিন প্রায় দেড় লক্ষ মানুষ ভারতে পালিয়ে যাচ্ছে। অবশ্য এক সময় কিসিঞ্জার নাকি বলেছিলেন, ইয়াহিয়া খান আবার একটা মূর্খের মতো ভুল করলো হিন্দুদের তাড়িয়ে। যদিও সেই বৈঠকে রাষ্ট্রদূতের কথার কোন উত্তর দেননি কিসিঞ্জার। জবাব মেলেনি নিক্সনের পক্ষ থেকেও। ভারত এবং আমেরিকার নিজস্ব স্বার্থ এবং নিরবতার কারণেই বাংলাদেশে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিরস্ত্র হিন্দুদের নির্বিচারে খুন করতে উৎসাহ পেয়েছিল বলে মনে করেন জে বাস। ৪০ বছর পর এই তথ্য ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে নতুন মাত্রা যোগ করলো।

মালয়েশিয়ার ডাকটিকেট স্বামী বিবেকানন্দ

মালয়েশিয়ার সরকার এই ডাকটিকেট প্রচলন করেছে ভগবান শ্রীরামকৃষ্ণের প্রধান পার্ষদ স্বামী বিবেকানন্দ জীর আবির্ভাবের সার্ধশতবর্ষে স্বামীজির প্রতি তাদের শ্রদ্ধার নিদর্শনস্বরূপ ।

প্রশ্নঃ পড়ার পূর্বে বেদের কোন মন্ত্র পাঠ করতে হয় ?

উত্তরঃ ওঁ মেধাং মে বরুনো দদাতি মেধাগ্নিঃ প্রজাপতিঃ। মেধামিন্দ্রশ্চ বায়ুশ্চ মেধাং ধাতা দদাতি মে স্বাহা।। যজুর্বেদ ৩২.১৫ অনুবাদ- হে প্রকাশমান,প্রজা পালক প্রভু,আমি যেন মেধা প্রাপ্ত হই,মেধাবুদ্ধি ধারন করতে সক্ষম হই। হে সর্বব্যপক পরমাত্মা,আমি যেন চরাচর জগতের সত্য- অসত্য বিচারের বিবেকযোগ্য বুদ্ধি ও মেধা প্রাপ্ত হই।